‘অল্টারনেটিভ বাস্কেট সম্প্রসারিত হলে বিনিয়োগে রিস্কের মাত্রাটা কমে আসবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা:  বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের চয়েজের জায়গাটি অত্যন্ত সীমিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের পুঁজিবাজার এখনো যেই স্টেইজে আছে, তার ডেভলেপমেন্টের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে মাল্টি প্রোডাক্টের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। আমরা সেই অভাব পূরনের চেষ্ঠা করছি।

বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ-২০১৯ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (০৩ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনের মাল্টি পারপাস হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. এম খায়রুল হোসেন বলেন, ফিক্সড ইনকাম সিকিউরিটিজ প্রোডাক্ট আমাদের নাই। তাই বাজারে আরও কি ধরনের প্রোডাক্ট আসতে পারে, কি করলে বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে তা নিয়ে আমরা কাজ করছি।  বিনিয়োগকারীদের জন্য অল্টারনেটিভ বাস্কেট আরো সম্প্রসারিত হলে রিস্কের মাত্রাটা অনেক কমে আসবে।

তিনি বলেন, আমাদের বাজারে বিনিয়োগকারীদের চয়েজের জায়গাটি সীমিত। বিনিয়োগকারীদের লেভেল অব নলেজ সীমিত। তাই বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্দেশ্য হলো সেই নলেজের বেজকে এনাউন্স করা এবং তাদেরকে শিক্ষিত করে তোলা। যাতে করে এই নলেজটা তার ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে পুঁজির চেয়েও বড় ক্যাপিটাল হিসেবে আর্বিভুত হয়।

বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের শেয়ারবাজারে যেসব প্রোবলেম আইডেন্টিফাই করেছে এবং সেই আইডেন্টিফাইড প্রোবলেমকে কিভাবে এড্রেস করেছে তার এক্সপিরিয়েন্সের আলোকে নিজেদের শিক্ষিত করতে হবে। একইসাথে সকলকে সম্মিলিতভাবে শেয়ারবাজাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

উদ্বোধনী পর্ব শেষে বিএসইসি কর্তৃক আয়োজিত এ বিনিয়োগ শিক্ষা কর্মশালায় দুটি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। এসব অনুষ্ঠানে বিএসইসির কমিশনারবৃন্দ এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিপুল সংখ্যক স্ট্রেকহোল্ডারদের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহন করেন।

(এসএএম/ ০৩ অক্টোবর ২০১৯)


Comment As:

Comment (0)