‘দেশ-বিদেশের বড় বড় ফান্ডকে পুঁজিবাজারের প্রতি আকৃষ্ট করতে হবে’

‘১৯৫৪ সালের ২৮শে এপ্রিল ইস্ট পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ এসাসিয়েশন নামে আমাদের এই ভূখন্ডে পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠা হয়। কিন্তু ১৯৫৬ সালে প্রথম ট্রেডিংয়ের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৬২ সালের ২৩ জুন ইস্ট পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড নামে এর নামকরণ করা হয়। এরপর ১৯৬৪ সালের ১৩ই মে নাম বদল করে এটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নামে নামকরণ করা হয়। কিন্তু ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর দেশ স্বাধীনের পর নতুন রাষ্ট্রের পলিসিগত কারণে এই স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালের ১৬ই আগস্ট পূনরায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন চালু হয়। এরপর থেকেই অবিরাম চলতে থাকে ডিএসইর পথচলা।’

‘দীর্ঘ সময় ধরে কার্যক্রম চালু হলেও বিশ্বের অনান্য দেশের আদলে এ বাজারের জন্য কোনো নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ ছিল না। একসময়  জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ রেজিস্টারারের (আরজেএসসি) অধীনস্থ কন্ট্রোলার অব ক্যাপিটাল ইস্যুর অধীনে এই পুঁজিবাজার চলতো। পরবর্তীতে বাজারের কলেবর বড় হতে থাকায় দেশের পুঁজিবাজারকে নিয়ন্ত্রনের জন্য আলাদা রেগুলেটরি বডির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। আর সে লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠার পর পরই পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কিছু আইন-কানুন প্রনয়ণ করে এসইসি। ওইসব আইন-কানুন দিয়েই দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ চলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার। কিন্তু সময়ের দাবি বিবেচনায় পরবর্তীতে ২০১২ সালের ১০ ডিসেম্বর এক আইনের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ রূপান্তর করা হয়। অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান ও পুঁজিবাজারের রেগুলেটর হিসেবে বিএসইসি তখন থেকে নতুনভাবে কাজ শুরু করে।’

বিনিয়োগবার্তার সঙ্গে একান্ত আলোচনায় এসব কথা বলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এর সাবেক প্রেসিডেন্ট ও ডিএসই ব্রোকারেজ এসোসিয়েশনের সভাপতি শাকিল রিজভী

একসময় জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ রেজিস্টারারের (আরজেএসসি) অধীনস্থ কন্ট্রোলার অব ক্যাপিটাল ইস্যুর অধীনে এই পুঁজিবাজার চলতো। পরবর্তীতে বাজারের কলেবর বড় হতে থাকায় দেশের পুঁজিবাজারকে নিয়ন্ত্রনের জন্য ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠার পর পরই পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কিছু আইন-কানুন প্রনয়ণ করে এসইসি। ওইসব আইন-কানুন দিয়েই দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ চলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার।”

শাকিল রিজভী বলেন, ২০১০ সালের শেষ দিকে পুঁজিবাজারে একটি ভয়াবহ ধ্বস নামে। ওই ধ্বসের প্রেক্ষিতে নতুন কমিশন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজে হাত দেয়। বাজারে ম্যানুপুলেশন বন্ধ করাসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম থেকে পুঁজিবাজারকে স্বচ্ছতায় ফিরিয়ে আনতে নতুন কিছু নিয়ম-কানুন করা হয়। এছাড়া পুরোনো কিছু আইন-কানুন বাজারের চাহিদার সাথে না যাওয়ায় ওইগুলো সংস্কার করা হয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বিএসইসি অত্যন্ত সচেতনভাবে এখনও এসব কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চলেছে।

সাম্প্রতিক সময়েও পুঁজিবাজার নিয়ে বেশ কিছু আইন-কানুন করেছে বিএসইসি। নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও স্টক এক্সচেঞ্জের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল ‘ডি-মিউচুয়ালাইজেশন আইন’। এ আইন প্রনয়ণ ও বাস্তবায়ণ ছিল সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে কঠিন কাজ। যথাযত নিয়মনীতি প্রণয়ণ ও বাস্তবায়ণের মাধ্যমে ‘ডি-মিউচ্যুয়ালাইজড’ স্টক এক্সচেঞ্জের আদলে বাজারে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। এছাড়া স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার নেওয়াও স্টক এক্সচেঞ্জ ও কমিশনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। চীনের সাংহাই ও শেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জের সমন্বয়ে গঠিত কনসোর্টিয়াম এখন আমাদের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার। তাদেরও একটি ভিশন-মিশন রয়েছে। তারাও বাজারের উন্নয়নে কাজ করছে। এছাড়া বাজার নিয়ন্ত্রন ও পরিচালনায় আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে বিএসইসি। নি:সন্দেহে এগুলো পুঁজিবাজারের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ।

“দেশের পুঁজিবাজার এখন অত্যন্ত সম্ভাবনাময় অবস্থানে রয়েছে। এখান থেকে এ বাজারকে এগিয়ে নেওয়ার দারুন সুযোগ রয়েছে। এজন্য ভাল কোম্পানি আনতে হবে, সরকারি ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে তালিকাভূক্ত করতে হবে। দেশ-বিদেশের বড় বড় ফান্ডকে এ বাজারের প্রতি আকৃষ্ট করতে হবে। এজন্য রোডশো, ক্যাম্পেইন ও মার্কেটিং করতে হবে। এসব বিষয়ে সবাইকে মনোযোগী হতে হবে এবং একযোগে কাজ করতে হবে।”

শাকিল রিজভী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের পুঁজিবাজারের জন্য যেসব আইন-কানুন হয়েছে, সেগুলো এই বাজারকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। এখন পুঁজিবাজারের জন্য সবচেয়ে বেশি দরকার ব্র্যান্ডিং। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে দেশ বিদেশে মার্কেটিং করা। সভা-সেমিনার, রোডশোর মাধ্যমে সকল পর্যায়ের সামর্থ্যবান বিনিয়োগকারীকে পুঁজিবাজার সম্পর্কে জানান দেয়া। পুঁজিবাজারে ভাল ভাল কোম্পানি লিস্টিং করা। সরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া এবং বাজারের সাইজ বড় করা।

একটি  কথা মনে রাখতে হবে যে, পুঁজিবাজারকে যদি বড় করা না যায়, বাজারের প্রতি যদি বিনিয়োগকারীদের আস্থা প্রতিষ্ঠা না হয়, তাহলে আইন-কানুনের কোনো সুফল পাওয়া যাবে না। সবকিছুর আগে একটি গতিশীল ও টেকসই বাজার সৃষ্টি করতে হবে।

“নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও স্টক এক্সচেঞ্জের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল ‘ডি-মিউচুয়ালাইজেশন আইন’। এ আইন প্রণয়ণ ও বাস্তবায়ণ ছিল সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে কঠিন কাজ। যথাযত নিয়মনীতি প্রণয়ণ ও বাস্তবায়ণের মাধ্যমে ‘ডি-মিউচুয়ালাইজড’ স্টক এক্সচেঞ্জের আদলে বাজারে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। এছাড়া স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার নেওয়াও স্টক এক্সচেঞ্জ ও কমিশনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। চীনের সাংহাই ও শেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জের সমন্বয়ে গঠিত কনসোর্টিয়াম এখন আমাদের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার।”

তিনি বলেন, দেশের পুঁজিবাজারে সচেতন বিনিয়োগকারী সৃষ্টিতে বিনিয়োগ শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৭ সালে শুরুর দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএসইসির এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিভাবে এ কাজটি উদ্বোধন করেন। এরপর থেকে ডিএসই-সিএসইসহ পুঁজিবাজারের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল ব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংকসহ অনান্য সংগঠনগুলো এই কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এই শিক্ষা কিন্তু বিনিয়োগকারী এবং স্টেকহোল্ডার সকলের জন্যই প্রয়োজনীয়। বাজারের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষেরই শিক্ষার দরকার আছে। এ ধরনের শিক্ষা কোম্পানির উদ্যোক্তা-কর্মকর্তা-কর্মচারিদেরও প্রয়োজন। সম্প্রতি বিএসইসি ‘নতুন কর্পোরেট গভন্যান্স কোড’ আইনের প্রনয়ণ করেছে, যার মধ্যে কোম্পানি পরিচালনার সকল নিয়মনীতি সংযুক্ত করা হয়েছে। এসব বিষয়কে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকেই শিক্ষিত হতে হবে। এছাড়াও এখন স্টক ডিভিডেন্ড ও রিটেইনড আর্নিসের ওপর করারোপ করা হয়েছে। ফলে এখন উদ্যোক্তা আর টানা স্টক ডিভিডেন্ড দিতে পারবেন না। আর বিনিয়োগকারীরাও ক্যাশ ডিভিডেন্ড পাবেন। এসব কিছু সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সচেতন করার জন্য বিনিয়োগ শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনেক। বিএসইসির এসব আইন অত্যন্ত সময়োপযোগী। বাজারে এসব আইন-কানুনের দৃশ্যমান প্রতিফলন কম-বেশি দেখা যাচ্ছে। অতীদের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন দেশের পুঁজিবাজার অনেক বেশি গ্রহনযোগ্য হয়ে উঠেছে।

“এখন একটি রেকর্ড একাধিক জায়গায় সংরক্ষিত হয়। ব্রোকারেজ হাউজ, স্টক এক্সচেঞ্জ, সিডিবিএল, বিএসইসি সকলের কাছেই রেকর্ড থাকে। এক জায়গা থেকে তথ্য পাওয়ার ঘাটতি থাকলে অন্যটির কাছ থেকে পাওয়া যাবে। অন্যায়কারীকে খুঁজে বের করা এখন আর কঠিন কোনো কাজ নয়।”

ডিএসইর সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেন, এই মার্কেটকে সকলের জন্য ফ্রি করে দিতে হবে। বিনিয়োগকারীরা যার যার ইচ্ছে মতো শেয়ার কিনেবে ও বেচবে। এতে কোনো ধরনের বাধা রাখলে চলবে না। নিয়ন্ত্রন অবশ্যই থাকবে। কেউ যেন ম্যানুপুলেশন না করতে পারে, কেউ যেনো ইনসাইডার না হয়-সেসব বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে। অন্যায় করলে শাস্তি অবশ্যই পেতে হবে। এখন একটি রেকর্ড একাধিক জায়গায় সংরক্ষিত হয়। ব্রোকারেজ হাউজ, স্টক এক্সচেঞ্জ, সিডিবিএল, বিএসইসি সকলের কাছেই রেকর্ড থাকে। এক জায়গা থেকে তথ্য পাওয়ার ঘাটতি থাকলে অন্যটির কাছ থেকে পাওয়া যাবে। অন্যায়কারীকে খুঁজে বের করা এখন আর কঠিন কোনো কাজ নয়। কিন্তু কোন কাজটি কখন করতে হবে, সে বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার খেয়াল রাখতে হবে। তবে এসব ক্ষেত্রে বাজারের গতি-প্রকৃতিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

একটি বিষয় সকলকে বুঝতে হবে যে- এ বাজারটিকে আগে জমাতে হবে। বিএসইসিতো আর বাজার জমাবে না। বাজার জমাবে ইন্টারমিডিয়েটসরা। তাদেরকে সেই সুযোগ দিতে হবে। সরকার বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইন-কানুন ও নীতিগত সহায়তা দেবে। কিন্তু বড় কোনো অনিয়ম না পেলে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। অযথা ছোট-ছোট নিউজ রেইস করানো যাবে না। বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এমন নিউজ থেকে সতর্ক থাকতে হবে। এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল বাজার। এখানে বিনিয়োগকারীরা খুব ছোট নিউজেই ভীত হয়ে যায়। ফলে বাজারে বিনিয়োগ কমে যায়। এসব ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়া উচিত।

“আইন-কানুন সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সচেতন করার জন্য বিনিয়োগ শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনেক। বাজারে এসব আইন-কানুনের দৃশ্যমান প্রতিফলন কম-বেশি দেখা যাচ্ছে। যথাযত আইন-কানুন ও মনিটরিংয়ের ফলে অতীদের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন দেশের পুঁজিবাজার অনেক বেশি গ্রহনযোগ্য হয়ে উঠেছে।”

আমি বলতে চাই, জাতীয় অর্থনীতিতে এখন পুঁজিবাজারের অবদান কিছুটা হলেও দৃশ্যমান। নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থা হিসেবে বিএসইসিও এখন ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জেস কমিশন্স (আইওএসকো) এর ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উত্তীর্ণ হয়েছে। এটি পুঁজিবাজারের সকল অংশীজনদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থার ক্যাটিগরিও তার পারফর্মেন্সের উপর ভিত্তি করেই নির্ধারণ হয়। ভাল পারফর্মেন্স দেখাতে পেরেছে বলেই বিএসইসির ক্যাটাগরির উন্নতি হয়েছে। দুই পুঁজিবাজারও এখন অনেক বেশি ম্যাচিউরড। দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এখন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অব স্টক এক্সচেঞ্জেসের অন্যতম সদস্য। বিশ্বের ২৫০টি স্টক এক্সচেঞ্জের সমন্বিত সংগঠন এটি। সবমিলিয়ে দেশের পুঁজিবাজার এখন অত্যন্ত সম্ভাবনাময় অবস্থানে রয়েছে। এখান থেকে এ বাজারকে এগিয়ে নেওয়ার দারুন সুযোগ রয়েছে। এজন্য ভাল কোম্পানি আনতে হবে, সরকারি ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে তালিকাভূক্ত করতে হবে। দেশ-বিদেশের বড় বড় ফান্ডকে এ বাজারের প্রতি আকৃষ্ট করতে হবে। এজন্য রোডশো, ক্যাম্পেইন ও মার্কেটিং করতে হবে। এসব বিষয়ে সবাইকে মনোযোগী হতে হবে এবং একযোগে কাজ করতে হবে।

“নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থা হিসেবে বিএসইসিও এখন ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জেস কমিশন্স (আইওএসকো) এর ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উত্তীর্ণ হয়েছে। এটি পুঁজিবাজারের সকল অংশীজনদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।”

একটি কথা মনে রাখতে হবে, আইন-কানুনের সাথে লাভ-লসের কোনো সম্ভাবনা নাই। শেয়ার দর বাড়া বা কমারও কোনো সম্ভাবনা নাই। আইন চলবে তার নিজস্ব গতিতে। বাজারও চলবে তার নিজস্ব গতিতে। শেয়ারদর কমলে বা লোকসানের মুখোমুখি হলে নিয়ন্ত্রনকারি বা স্টক এক্সচেঞ্জের উপর দায় চাপিয়ে দিলে হবে না। বরং ব্যবসা করতে হবে অত্যন্ত সচেতনভাবে জেনে ও বুঝে।

(এমআইআর/ এসএএম/ ১২ অক্টোবর ২০১৯)

 

 

 


Comment As:

Comment (0)