শার্শায় নতুন ঘর পেয়ে খুশি ৩৫৬ দুস্থ পরিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা, বেনাপোল: যশোরের শার্শায় ১১টি ইউনিয়নের অতি দরিদ্র পরিবারের মাঝে ৩ শ’ ৫৬ টি বাসগৃহ নির্মাণ করে দিয়েছে সরকার। জমি আছে- ঘর নাই ও দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এসব গৃহ নির্মাণ ব্যয় বহন করেছে।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো ও রক্ষনাবেক্ষন কর্মসুচির আওতায় যশোরের শার্শার ১১টি ইউনিয়নে হত দরিদ্রদের দুর্দশা লাঘবে জমি আছে ঘর নাই ও দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় পাকা বাড়ি তৈরি করে দিয়েছে সরকার। জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পে ৩ শত ৩৩টি ও দুর্যোগ সহনীয় প্রকল্পের আওতায় ২৩টিসহ মোট ৩৫৬ পরিবারকে নতুন পাকা গৃহ নির্মাণ করে দেওয়া হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পাকা ঘর পেয়ে অত্যন্ত খুশি এসব দরিদ্র পরিবার। রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে, ভাঙ্গা ঘরের মধ্যে এতদিন অনেক কষ্টে দিন যাপন করে আসছিল এসব মানুষ। আগামীতে ঘরের পরিমাণ বাড়ানো হলে প্রান্তিক মানুষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। তাই সরকারের এমন উদ্যেগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
নতুন গৃহে বসবাস করতে তারা সাচ্ছন্দ বোধ করছেন এবং সরকারকে অভিনন্দন ও দীর্ঘায়ু কামনা করছেন।
শার্শা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লাল্টু মিয়া জানান, যশোরের শার্শা উপজেলায় ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো ও রক্ষনা বেক্ষন কর্মসুচির আওতায় ২৩টি দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ করা হয়েছে। গুণগত মান বজায় রেখে সুন্দর ভাবে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাতে উপকারভোগীরা বসবাস করছে। আগামীতে ঘরের পরিমাণ বাড়ানো হলে প্রান্তিক মানুষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল জানান, জমি আছে ঘর নাই বা ঘর জরাজির্ণ প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী পদক্ষেপ। যারা গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র মানুষ যাদের জমি আছে ঘর নির্মাণ করার সামর্থ নেই। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। শার্শা উপজেলায় ৩ শত ৫৬টি ঘর বরাদ্দ পাওয়া গেছে। ঘর নির্মাণ কাজ সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
(এমআই/এসআর/ ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯)



