পণ্য চুরি করে ১৯ বছরে ৩৮ লাখ ডলার আয়

বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক, ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের অধিবাসী নারী কিম রিচার্ডসন (৬৩) সারা দেশে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন দোকানে গিয়ে নানা দামি জিনিস চুরি করতেন। সেই জিনিসই আবার বিক্রি করতেন জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইটে বা অন্য কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মে। ১৯ বছর ধরে এই কাজ করেছেন তিনি। এর মধ্যে আয় করেছেন প্রায় ৩৮ লাখ ডলার। অবশেষে গোয়েন্দা সংস্থার জালে ধরা পড়েছেন। আদালত কারাদণ্ড দিয়েছে তাকে, সেই সঙ্গে নির্ধারণ করেছে তার পণ্য বিক্রি থেকে আয়ের সমপরিমান জরিমানা।

গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কৌঁসুলি রায়ান কে প্যাট্রিক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, দোকানের জিনিস চুরি করে ই-বেতে বিক্রি করে দেয়ার দায়ে কিমকে আদালত ৫৪ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন। তাকে এই সময় কেন্দ্রীয় কারাগারে কাটাতে হবে। আর জরিমানা করা হয়েছে ৩৮ লাখ ডলার। এফবিআই এবং সিক্রেট সার্ভিসের অনুসন্ধানে ওই নারী দোষী প্রমাণিত হয়েছেন।

জানা গেছে, টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসের ওই বাসিন্দা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ভ্রমণ করতেন আর দোকান থেকে জিনিসপত্র চুরি করতেন। তিনি মূলত খুচরা বিক্রির দোকানেই যেতেন। তার সঙ্গে থাকতো বড় কালো একটি ব্যাগ, আর দোকানের সিকিউরিটি ডিভাইস অকেজো করে দেয়ার যন্ত্র। অসংখ্য দোকান থেকে তিনি জিনিসপত্র চুরি করেছেন। সেসব বিক্রি করেছেন ই-বেতে। এছাড়া সরাসরি অর্ডার নিয়ে সেগুলো ক্রেতার ঠিকানায় পৌঁছে দিতে ব্যবহার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ডাক সেবা, ফেডারেল এক্সপ্রেস (ফেডেক্স) এবং ইউনাইটেড পার্সেল সার্ভিস।

গোয়েন্দারা অনুসন্ধানে দেখেছেন, কিম রিচার্ডসনের চুরি করা পণ্য কেনার বিনিময়ে তিনটি আলাদা পেপল অ্যাকাউন্টে ক্রেতাদের পাঠানো টাকার পরিমান প্রায় ৩৮ লাখ ডলার। তবে কারা এসব পণ্য কিনেছেন সেগুলো শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব বলেই মনে করছে আদালত।

অ্যাটর্নির কার্যালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিম রিচার্ডসন ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে আদালতে দোষ স্বীকার করেন। তিনি স্বেচ্ছায় ইউএস ব্যুরো অব প্রিজমে আত্মসমর্পণ করেছেন। সূত্র: সিএনএন

(ডিএফই/এসআর/৫ অক্টোবর ২০২০)


Comment As:

Comment (0)