জলবায়ু তহবিল আরো বাড়াতে সম্মত বিশ্বব্যাংক
বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ব্যয় করা অর্থের পরিমাণ ৩৫ শতাংশ বাড়িয়ে তুলতে সম্মত হয়েছে বিশ্বব্যাংক। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন কর্মপরিকল্পনার খসড়া নিয়ে সমালোচনার পর প্রতিষ্ঠানটি বার্ষিক অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ করতেও সম্মত হয়েছে। এর আগে বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থাটি এ তহবিল ২৮ শতাংশ বাড়িয়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
বিশ্বব্যাংক বলেছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে প্যারিসের জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করতে একটি রোডম্যাপ সরবরাহ করা হবে।
বিশ্বব্যাংকের জলবায়ু তহবিল পর্যবেক্ষণ করা জেনেভিভ কনারস বলেন, আমাদের ব্যবসায়িক ধরনে এটা সত্যিই পরিবর্তন নিয়ে আসবে। বিশ্বব্যাংক হিসেবে আমরা এখন যা কিছু করি, সেগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার বিষয়টি।
গত এপ্রিলে বিশ্বব্যাংক তার পরিকল্পনার বিস্তারিত প্রকাশ করেছিল। সেখানে প্রতিষ্ঠানটি বলেছিল, গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমাতে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে কয়লার বিকল্প খুঁজতে সহায়তা করা হবে। পাশাপাশি জলবায়ু অর্থায়ন বাড়িয়ে তোলা হবে। এ খাতে গত পাঁচ বছরে প্রতিষ্ঠানটি মোট ৮ হাজার ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় করেছিল, যেখানে ২০২০ সালেই এ ব্যয়ের পরিমাণ ২ হাজার ১৪০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
পরিবেশবাদীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন, বিশ্বব্যাংকের খসড়া পরিকল্পনায় প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যগুলোয় পৌঁছতে নীতি বাস্তবায়ন এবং কয়লায় সমর্থন বন্ধের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও প্রাকৃতিক গ্যাস প্রকল্পে বিনিয়োগ নিয়ে স্পষ্টতার অভাব ছিল।
জনেভিভ কনারস বলেন, গ্যাস প্রকল্পের প্রতিটি বিনিয়োগ আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হবে এবং প্রকল্পগুলোর তহবিল অনুমোদন পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিল নিয়মনীতির মুখোমুখি করা হবে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে গ্যাস প্রকল্পগুলোকে সহায়তা দেয়া হচ্ছে।
কনারস বলেন, এ ধরনের বিনিয়োগ বন্ধের দৃঢ় সময়সীমা ছিল না। সুতরাং এটি একটি চলমান লক্ষ্য। তবে সামগ্রিকভাবে এটিকে আমরা কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামানোর দিকে যাত্রা হিসেবে দেখছি। কারণ আমাদের দেশগুলো বিভিন্ন পথে চলছে। সেখানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যার কোনো বিকল্প থাকে না। তবুও এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বাধা দেয়া হবে এবং অনুমোদনের জন্য উপযুক্ত প্রমাণ দেখাতে হবে।
(এসএএম/২৪ জুন ২০২১)



