নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা জাপানের
বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক: নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়াতে চায় জাপান। সেই সঙ্গে আগামী দশকে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনতে চায় দেশটি। কার্বন নিঃসরণ কমাতে একটি নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দেশটি। উচ্চাভিলাষী সেই পরিকল্পনা যথাসময়ে বাস্তবায়ন করতেই তাদের এ আয়োজন।
পরিকল্পনার একটি খসড়া তৈরি করেছে জাপানের অর্থনীতি ও শিল্প মন্ত্রণালয়।
সেখানে দেখা যায়, পারমাণবিক জ্বালানির বর্তমান লক্ষ্য বজায় রাখা হয়েছে। আসলে পরমাণু শক্তির ভবিষ্যৎ কী হবে সেটি এখনো স্পষ্ট নয়। তাছাড়া ২০১১ সালে ফুকুশিমা বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিপর্যয়ের পর থেকে পারমাণবিক শক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নতুন পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ২০৩০ সাল নাগাদ দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহের ৩৬-৩৮ শতাংশ আসবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে। বর্তমানে এ হার ২২-২৪ শতাংশ। নতুন ব্যবহূত জ্বালানি হাইড্রোজেন ও অ্যামোনিয়া থেকে আসবে ১ শতাংশ।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, জীবাশ্ম জ্বালানির পরিমাণ ৫৬ শতাংশ থেকে ৪১ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। নতুন এ পরিকল্পনা চলতি বছরের শেষ নাগাদ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গত এপ্রিলে ঘোষিত কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
নতুন পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, পারমাণবিক শক্তির ওপর যতটুকু সম্ভব নির্ভরতা কমাবে জাপান। কিন্তু শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে এটি থাকবে। পাশাপাশি পারমাণবিক জ্বালানির পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের চক্র অব্যাহত রাখার কথা ভাবছে জাপান, যেখানে পারমাণবিক জ্বালানিকে প্লুটোনিয়ামে রুপান্তর করা হবে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালাবে জাপান।
তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মিলে জাপান ৫০ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ কমানোর চেষ্টা করবে। অন্যদিকে চীন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ২০৬০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতায় পৌঁছবে তারা।
(এসএএম/২৬ জুলাই ২০২১)



