কার্নিভাল ক্রুজ লাইন

তিন মাসে ২৮০ কোটি ডলার লোকসানে কার্নিভাল ক্রুজ লাইন

বিনিয়োগবার্তা ডেস্কঃ কোভিড ১৯ জনিত মন্দায় গত তিন মাসে (জুন-আগস্ট’২১) ২৮০ কোটি ডলার লোকসানে পড়েছে কার্নিভাল করপোরেশন। খবর: এপি।

এপির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রমোদতরী ভ্রমণ খাতে বিনিয়োগকারীরা কভিডজনিত বিধ্বস্ত অবস্থা থেকে উত্তরণে আশার আলো খুঁজছেন। দীর্ঘমেয়াদে এ খাতে পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হলেও স্বল্প মেয়াদে পূর্বাভাস ভয়াবহ রয়ে গেছে।

কার্নিভাল বলছে, এ গ্রীষ্মে কভিডের অতি সংক্রামক ডেল্টার প্রাদুর্ভাবের কারণে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংস্থাটির প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েল ক্যারিবিয়ান ও নরওয়েজিয়ান ক্রুজ লাইনও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। বর্তমানে সংক্রমণের সংখ্যাও কমতির দিকে রয়েছে।

কার্নিভাল বলেছিল, আগস্টে প্রমোদতরীগুলো গড়ে মাত্র ৫৯ শতাংশ পূর্ণ ছিল। তবে এ হার জুনে ৩৯ শতাংশ থেকে উন্নত হয়েছিল এবং সমুদ্রযাত্রার নগদ ব্যয় বহনের জন্য পর্যাপ্ত রাজস্ব আয়ের দেখা পাওয়া গেছে।

কানির্ভালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরনল্ড ডোনাল্ড এক সাক্ষাত্কারে বলেন, আমরা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ লোকসানের খবর দিয়েছিলাম। আমরা এখনই কভিডজনিত মন্দা অবস্থা থেকে পুনরুদ্ধার হতে পারিনি। তবে আগামীতে আমরা আরো উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখছি। পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে আমাদের নগদ অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়া উচিত। কারণ আগামীতে আমরা আমাদের বহর বাড়াতে চলেছি। তিনি বলেন, যাত্রী সংখ্যা কম থাকলেও তারা মহামারীর আগের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি ব্যয় করছে। এক্ষেত্রে অনেক কারণ থাকতে পারে। মানুষ অনেক দিন প্রমোদতরীতে ভ্রমণ করতে পারেনি, এমনকি ভ্রমণও করতে পারেনি। অনেক দিন পর প্রমোদতরীতে ভ্রমণের সুযোগ পেয়ে তারা এখন বেশি ব্যয় করছে।

৩১ আগস্টের শেষ নাগাদ তিন মাসে ১৯৯ কোটি ডলারের সমন্বয়যোগ্য লোকসানের কথা জানিয়েছে কার্নিভাল। কয়েকটি প্রমোদতরী দিয়ে এখন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সংস্থাটি আশা করছে, অক্টোবরের শেষ নাগাদ বহরের অর্ধেকেরও বেশি এবং আগামী গ্রীষ্মের মধ্যে পুরো নৌ-বহর চালু হবে। আর আগামী বছর আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করছে প্রমোদতরী ভ্রমণ পরিষেবা সংস্থাটি। ২০২২ সালের দ্বিতীয়ার্ধে বুকিংয়ের পরিমাণ ২০১৯ সালের স্তরকেও ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে কার্নিভাল।

বিনিয়োগবার্তা/এসএএম//


Comment As:

Comment (0)