যুক্তরাজ্য

আইএমএফের পূর্বাভাস

চলতি বছর যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি সংকুচিত হবে

ডেস্ক রিপোর্ট: চলতি বছর যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি সংকুচিত হবে। জি৭ দেশগুলোর মধ্যে তারা সবচেয়ে পিছিয়ে থাকবে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)এমন পূর্বাভাস দিয়েছে। খবর: দ্য গার্ডিয়ান।

উন্নত দেশগুলো অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিতে আছে। জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়া ও উচ্চমূল্যস্ফীতি এর কারণ। ফলে যুক্তরাজ্য ও ইউরো অঞ্চল বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানায় ওয়াশিংটনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি।

বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশ কমতে পারে বলে জানিয়েছে আইএমএফ। যুক্তরাষ্ট্র ও সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোর সাম্প্রতিক সমস্যাকে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের সতর্কবার্তা হিসেবে অভিহিত করেছে আইএমএফ।

তবে সময়োচিত ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ সংকোচন এড়ানো সম্ভব। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় প্রস্ততি কম নেই যুক্তরাজ্যের। দেশটির চ্যান্সেলর অব দি এক্সচেকার জেরেমি হান্ট বলেন, ‘আইএমএফ এখন বলছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা সঠিক পথেই আছি। আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে চলতি বছর মূল্যস্ফীতি অর্ধেকের বেশি কমিয়ে আনা হবে। এতে সবার ওপর চাপ কমে যাবে।

তবে আইএমএফের এ পূর্বাভাসকে কেন্দ্র করে সরকারের দিকে অভিযোগের আঙুল তাক করেছে বিরোধী লেবার পার্টি। বিরোধী দলটির সংসদ সদস্য র‍্যাচেল রিভসের মতে, আইএমএফের পূর্বাভাস থেকে বোঝা যায় বিশ্বমঞ্চে যুক্তরাজ্য কতটা পিছিয়ে আছে। তিনি বলেন, ‘কনজারভেটিভ পার্টির অধীনে ১৩ বছর ধরে যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কম। তারা আমাদের অর্থনীতিকে দুর্বল করে দিচ্ছে। জীবনযাত্রার মান দ্রুতগতিতে কমে যাচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি সংকুচিত হওয়া প্রসঙ্গে আইএমএফের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পিয়েরে-অলিভিয়ার গোরিনচাস বলেন, ‘চলতি বছরটি যুক্তরাজ্যের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে। কিন্তু ২০২৪ সালে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়তে যাচ্ছে।

আইএমএফের পূর্বাভাস অনুসারে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমবে। ২০২২ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। চলতি বছর তা কমে ২ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানা যায়। গোরিনচাস বলেন, ‘ওপর থেকে দেখে তেমন কিছু বোঝা যায় না। কিন্তু ভেতরে ভেতরে অস্থিরতা বাড়ছে। পরিস্থিতি এখনো যথেষ্ট ভঙ্গুর। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংক খাতের অস্থিরতা আমাদের সে কথাই মনে করিয়ে দেয়।

বৈশ্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে একটি বিপজ্জনক পর্যায়ে আছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘এ সময় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমেছে। ঝুঁকি বেড়েছে। মূল্যস্ফীতি এখনো পর্যাপ্ত কমিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।

বিনিয়োগবার্তা/এসএএম//


Comment As:

Comment (0)