বিধ্বস্ত বিমানের ৩৮ যাত্রী নিহত; হাসপাতালে ২৫ জন

বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক, ঢাকা: নেপালের কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস বাংলার বিমানে ৩৮ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিমান থেকে উদ্ধার করা ২৫ যাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আরো হতাহতের আশংকা রয়েছে।

নেপালের পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ৩৮ জন।

সোমবার ঢাকা থেকে নেপালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া বিমানটি কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনার পর বিমানবন্দরটি বন্ধ ঘোষণা ও সকল ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।

ওই বিমানটিতে ৪ জন ক্রুসহ ৬৭ জন যাত্রী ছিল। বিমানমন্ত্রী শাহজাহান কামাল সাংবাদিকদের জানান,  যাত্রীদের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ, ২৮ জন নারী ও ২জন শিশু ছিল। এর মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি নাগরিক ও নেপালের ৩৩জন বলে জানা গেছে।

ঘটনাস্থল ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী উপস্থিত রয়েছেন। নেপালের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য পেতে কয়েকঘণ্টা সময় লেগে যাবে।

ঢাকায় ইউএস বাংলার কর্মকর্তারা বলছেন, দুপুর ১২টা ৫১মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৬৭জন যাত্রী নিয়ে এটি ছেড়ে যায় ।ইউএস-বাংলার ফ্লাইট শিডিউল অনুযায়ী ওই উড়োজাহাজটি ‍দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়। এটি দুপুর সোয়া ২টায় কাঠমান্ডুতে পৌঁছানোর কথা ছিল। বিমানটির মোট আসন সংখ্যা ৭৮।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (টিআইএ) মুখপাত্র প্রেমনাথ ঠাকুর বলেন, বিমানটি রানওয়েতে নামার সময় বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর বিমানবন্দরের পূর্ব পাশে খেলার মাঠে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট থেকে আশীষ কুমার নামের এক ব্যক্তি গণমাধ্যমকে এই ছবিগুলো পাঠান।

তিনি জানান, বিধ্বস্ত ফ্লাইটটি বিএস-২১১।

ছবিতে দেখা যায়, বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটি থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটির ধ্বংসাশেষ এদিক সেদিক ছড়িয়ে পড়ে।

তবে প্রাথমিকভাবে বিধ্বস্ত হবার কারণ জানাতে পারেননি কর্মকর্তারা। টিআইএ কর্তৃপক্ষ,  নেপাল সামরিক বাহিনী ও নেপাল ফায়ার সার্ভিস সদস্য  উদ্ধারকাজ পরিচালনা করছে। এ সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য জানায়নি ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস।

 

(এসএএম/ ১২ মার্চ ২০১৮)


Comment As:

Comment (0)