চট্টগ্রাম টেস্ট: বৃষ্টির কারনে তৃতীয় দিনের খেলা বন্ধ
বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক, ঢাকা: চট্টগ্রামে বৃষ্টি কারণে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা এখন পর্যন্ত মাঠে গড়ায়নি।
ভোর থেকেই চট্টগ্রামের আকাশ পরিষ্কার থাকলেও সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বৃষ্টি নামে স্টেডিয়াম ও তার আশপাশের এলাকায়। বৃষ্টি নামার সঙ্গে সঙ্গে মাঠ কর্মীরা উইকেট ও আউটফিল্ড কাভারে ধাকতে দেখা যায়।
এদিকে সকালে মাঠে আসা বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা বৃষ্টি শুরুর আগে অনুশীলন করছিলেন। বৃষ্টি শুরুর সঙ্গে সঙ্গে তারা চলে যায় ড্রেসিং রুমে।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের দেয়া ৩০৬ রানের জবাব দিতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দলীয় ৫ রানেই ফেরেন ম্যাট রেনশো। মুস্তাফিজের লেগ স্টাম্পের ওপর পড়া বল ফ্লিক খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন তিনি। তা অসাধারণভাবে লুফে নেন মুশফিক।
এরপর স্মিথকে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামলে ওঠেন ওয়ার্নার। ধীরে ধীরে তারা দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে টাইগারদের চোখ রাঙাতে থাকে এ জুটি। এতে টাইগার শিবিরে স্বস্তির জন্য একটি ব্রেক থ্রু আবশ্যক হয়ে পড়ে। অবশেষে সেই কাঙ্ক্ষিত ব্রেক থ্রু এনে দেন তাইজুল ইসলাম।
দলীয় ৯৮ রানে স্মিথকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান তিনি। ফেরার আগে ৯৪ বলে ৮ চারে ৫৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন অজি অধিনায়ক।
আগের দিনের ৬ উইকেটে ২৫৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। মুশফিক ৬২ ও নাসির ১৯ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করেন। এদিনও দেখেশুনে খেলছিলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। তবে হঠাৎই খেই হারিয়ে ফেলেন তিনি। দলীয় ২৬৫ রানে নাথান লায়নের বলে ইনসাইড এজ হয়ে আউট হন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ফেরার আগে ১৬৬ বলে ৫ চারে ৬৮ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন তিনি।
এরপর মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন নাসির। তবে তাদের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ান অ্যাস্টন অ্যাগার। দলীয় ২৯৩ রানে নাসিরকে ফিরিয়ে দু’জনের প্রচেষ্টা থামান তিনি। ফেরার আগে ৯৭ বলে ৫ চারে ৪৫ রান করেন বাংলাদেশ ফিনিশিং অলরাউন্ডার।
নাসির ফিরে গেলে বাংলাদেশের ইনিংস আর বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। দলীয় ২৯৬ রানে ওয়ার্নারের অসাধারণ থ্রোতে রানআউট হয়ে ফেরেন মিরাজ। শেষ পর্যন্ত সবক’টি উইকেট হারিয়ে ৩০৫ রান করে বাংলাদেশ। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে লায়নের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন তাইজুল।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে লায়ন একাই শিকার করেন ৭ উইকেট। ২ উইকেট ঝুলিতে ভরেন অ্যাগার।
(এমআইআর/ ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭)



