বঙ্গবাজার ট্র্যেজেডি: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আর্তনাদ
ড: মিহির কুমার রায়: গত মঙ্গলবার (৪ঠা এপ্রিল) রাজধানীর ফুলবাড়িয়ার বঙ্গবাজার মার্কেটে দেশের স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে নিঃস্ব হয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। পুড়ে ছাই হয়েছে পাঁচ হাজারের বেশি দোকান, ক্ষতি হয়েছে ২ হাজার কোটি টাকার সম্পদ, আগুনে পুড়ে বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স মার্কেট, আদর্শ মার্কেট, মহানগর শপিং কমপ্লেক্স ও গুলিস্তান মার্কেট ভস্ম হয়ে যায়, পার্শ্ববর্তী বঙ্গ হোমিও মার্কেট ও বঙ্গ ইসলামিয়া মার্কেটেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
আগুন লাগার এক দিন পর বুধবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায় অ্যানেক্সকো ভবনের পাশের মার্কেট ধসে গেছে, ভেতর থেকে তখনো জায়গায় জায়গায় ভেতর থেকে ধোঁয়া উঠছে, ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট কাজ করেছে, পুরো এলাকার সবকিছু পুড়ে যেন এ এক কয়লার খনি। ফায়ার সার্ভিসের পানির কারণে জায়গায় জায়গায় পানি জমে রয়েছে। তবে এর মধ্যেও যেন জীবন খুঁজে ফিরছেন সব হারানো ব্যবসায়ীরা। অ্যানেক্সকো ভবনের ওপর থেকে ব্যবসায়ীরা বড় কাপড়ের ব্যাগ ফেলছেন নিচে দাঁড়ানোদের কাছে, সেগুলো জড়ো করে এক পাশে রাখা হচ্ছে, আবার কেউ একটু ভালো কাপড়ের আশায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন ছাইয়ের স্তুপ থেকে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘সবাই বলছে বঙ্গবাজারের কাপড়ের দোকান পুড়ে গেছে, আসলে কাপড় পোড়েনি, পুড়েছে আমাদের কপাল।’
এখন, ঈদের সময় যেখানে বাজার থাকবে এক কোলাহলময় সে সময় দেখা যায় এক অচেনা বঙ্গবাজার, ক্রেতা-বিক্রেতার হৈচৈ নেই, নীরব-নিস্তব্ধ, আছে ব্যবসায়ীদের দীর্ঘশ্বাস। দুদিন আগেও যেখানে ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে সারাদিন সরগরম থাকত মার্কেটটি, সেখানে এখন শুধুই হাহাকার, বাতাসে পোড়া কাপড়ের গন্ধ, এত কিছুর মধ্যেও ধ্বংসস্তুপ থেকে অক্ষত কাপড় খুঁজে বেড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা, কান্না থামছে না ব্যবসায়ীদের। এদিকে পরের দিন বুধবার বঙ্গবাজারের ধ্বংসস্তুপে আগুন ও ধোঁয়া দেখা গেছে, এদিনও ফায়ার সার্ভিস ১২টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে ব্যস্ত ছিল। তবে এখন পর্যন্ত আগুনের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) সাংবাদিকদের জানান, আগুনের প্রকৃত উৎস আমরা এখনো খুঁজে পাইনি, মালামাল বের করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে এখনো কোথাও কোথাও আগুন জ্বলছে, ধোঁয়া বের হচ্ছে। পুরোপুরি নেভাতে না পারলেও আগুন সম্পূর্ণরূপে আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমাদের পানির স্বল্পতা রয়েছে, কাছাকাছি পর্যাপ্ত পানি না পাওয়ার কারণেও আগুন নেভাতে দেরি হচ্ছে, তবে আমরা আশা করি, সহসাই আগুন পুরোপুরি নেভাতে পারব।’ একটি ভবনে ১০ হাজার লিটার পানি রিজার্ভ করার কথা সেখানে ৫ হাজার লিটার পাওয়া যাচ্ছে। তারা লাইসেন্স নিয়েছে ১০ হাজার লিটারের অথচ রিজার্ভ করছে ৫ হাজার। এ জন্য আমাদের আগুন নেভাতে বেগ পোয়াতে হচ্ছে। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভবনগুলো অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, এনেক্সকো টাওয়ারের বিভিন্ন পিলারে ফাটল ধরেছে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং রাজউকের অনুমতি ছাড়া ভবনগুলো পুনরায় ব্যবহার করা যাবে না। এদিকে বঙ্গবাজার পরিদর্শন করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, বঙ্গবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের বিষয়ে সিটি করপোরেশন যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেবে ও রাজধানীর ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ক্ষতিপূরণের দাবিতে বঙ্গবাজারে মানববন্ধন করেছেন ব্যবসায়ীরা। পথে বসা ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট ‘আকুল আবেদন’ ব্যানারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ আবেদন জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা, ব্যবসায়ীরা জানান, তাদের দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, বিষয়টি তদন্ত ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন তারা। ব্যবসায়ীরা আরও জানান, আদর্শ হকার্স মার্কেট, মহানগরী ও বঙ্গ গুলিস্তান- এই তিন অংশ মিলেই বঙ্গবাজার, প্রায় ২২ হাজার বর্গফুটের এই মার্কেটে ৫ হাজারের বেশি ছোট-বড় দোকান রয়েছে, স্মরণকালের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের অতি দ্রুত পুনর্বাসন চায় বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতি। এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবাজারের অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের পর্যাপ্ত অনুদান দেবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি)। আগুনের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এখন পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ নিয়ে কোনো সংস্থা স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করেনি, তদন্ত শেষে তাঁরা এ ব্যাপারে মত দেবেন, তবে কোনো কোনো ব্যবসায়ীর দাবি, বঙ্গবাজারের ১০ ফুট গলি থেকে আগুনের সূত্রপাত।
এরি মধ্যে বঙ্গবাজারে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরি করছে সিটি করপোরেশন। ভয়াবহ এক আগুনে পুড়ে যায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন বঙ্গবাজার, এতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর সংখ্যা ৫ হাজারের মতো বলে একটি হিসাব দিয়েছে ডিএসসিসি। ক্ষতিগ্রস্ত এই ব্যবসায়ীদের সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তার পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের নিজস্ব তহবিল হতে অনুদান দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র তাপস। তিনি বলেন, “এই অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যাতে আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারেন, সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পর্যাপ্ত অনুদান দেবেন, পাশাপাশি, আমরাও আমাদের সক্ষমতা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের অনুদান দেব। অগ্নিকান্ডে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে একটি কমিটি করেছে ডিএসসিসি, ওই কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা অতি শিগ্রই প্রস্তুত করার কথা বলেন মেয়র। তিনি বলেন, তালিকা প্রণয়নে যাতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর বাইরে অন্য কারও নাম না আসে, সেজন্য আপনারা সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করুন। এবং আমাদের কমিটিকে সহায়তা করুন। অপর দিকে আইন মেনে ঈদের আগেই বঙ্গবাজার অস্থায়ীভাবে খোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। এজন্য দ্রুতই দুর্ঘটনাস্থল পরিষ্কার করা হবে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, তালিকা করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করা হবে। এসময় সিটি কর্পোরেশনের আগের নকশায় বঙ্গবাজারে মার্কেট করতে হলে ব্যবসায়ীদের করা মামলা প্রত্যাহারের পরামর্শ দেন তিনি। এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তায় ব্যাংক আকাউন্ট খোলা হয়েছে বলে জানায় দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইতিমধ্যেই ২৫ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন কুমিল্লার ব্যবসায়ীরা। অপরিমেয় ক্ষতির শিকার হন, তাদের কিছু নীতির ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থাকলে বিশেষ কেউ এ থেকে ফায়দা ওঠাতে পারত না। সরকার বিভিন্ন সময়ে দুর্যোগে আহত-নিহতদের কিছু আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেয়। কিন্তু ক্ষতিপূরণের ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য কোনো নিয়মনীতি না থাকায় সমতার লক্ষ্য ব্যাহত হয়। দুর্যোগে মানুষ অথবা সেবাকর্মীদের ক্ষতির বিষয়গুলোকে সংজ্ঞায়িত করতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষগুলোকে ইন্সুরেন্সের আওতায় নিয়ে আসার পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিবেদক কেস স্টাডির আদলে বঙ্গবাজারের অগ্নিকান্ডর ওপর তার প্রতিবেদনটি লিখেছেন, প্রতিবেদনের শিরোনাম হলো, ‘সব পুড়ে ছাই, শুধু ক্যাশ বাক্সটি নিয়ে ফিরলেন ফিরোজ।’ তিনি লিখেছেন, “হাতে একটি ক্যাশ বাক্স নিয়ে, কিছু ধীরগতিতে হাঁটছিলেন সিরাজুল ইসলাম ফিরোজ। বঙ্গবাজারের আগুনে পুড়ে যাওয়ার আগে নিজ প্রতিষ্ঠান আফসার ফ্যাশন থেকে শুধু এই একটি জিনিসই উদ্ধার করেছেন তিনি। সব হারানোর মাঝে ক্যাশ বাক্সে থাকা ৫৫ হাজার টাকাই এখন তার একমাত্র সম্বল... কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষ্যে ৫০ লাখ টাকার নতুন মাল উঠাইছিলাম। কয়েক ঘণ্টার আগুনে সব পুইড়া গেছে। শুধু ক্যাশ বাক্সটা উদ্ধার করতে পারছি।” আফসার ফ্যাশন নামক প্রতিষ্ঠানটি পাইকারি দরে বিক্রি করত নারীদের পোশাক। আসন্ন ঈদ উপলক্ষ্যে ৫০ লাখ টাকার ‘ওয়ান পিস’ পোশাক তুলেছিলেন ফিরোজ। আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে গোডাউনে থাকা পোশাকের পুরোটাই। ফিরোজ কালের কণ্ঠকে বলেছেন, ‘দোকান থেকে কিছু মাল বাইর করতে পারছিলাম। এরপর আগুন দোকানে চইলা আইছে। গোডাউনের মাল তো সব পুইড়া শেষ।’ পত্রিকাটির মেইন স্টোরির পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের কিছু উক্তি খুবই প্রাসঙ্গিক। একজন ব্যবসায়ী বলেছেন, ‘আমার সব পুইড়া শ্যাষ। আমি এখন ক্যামনে বাঁচমু।’ এ ব্যবসায়ী আরও বলেছেন, ‘সাড়ে ছয়টায় আগুন লাগার খবর পাইছি। বাসা থেকে বাইর হইয়া মার্কেটে আসতে আসতেই আমার সব শেষ। আমি এখন ক্যামনে বাঁচমু? আমার আর কিছুই রইল না। সব শেষ হইয়া গেল।’ এভাবেই আর্তনাদ করছিলেন ব্যবসায়ী সিয়াম মিয়া। বঙ্গবাজারের আগুনে পুড়ে গেছে তার কাপড়ের দোকানটি। সিয়াম মিয়াই নন, মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) আগুনে পুড়ে গেছে বঙ্গবাজারের অসংখ্য ব্যবসায়ীর স্বপ্ন। ঘটনাস্থলে ঘুরলেই দেখা যাচ্ছে, শোনা যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের আর্তনাদ। আমার জীবনে দেখেছি যত দিন যাচ্ছে, মানুষ ততই যেন নিষ্ঠুর হয়ে উঠছে। মানুষের জন্য মানুষের দয়া, মায়া ও মমতা কর্পূরের মতো বাতাসে হারিয়ে যাচ্ছে। একসময় আমাদের দেশটা ছিল বিশাল এক গ্রামীণ সমাজ, সেই সমাজে ছিল সংঘবদ্ধতা, সেই সমাজের রীতি ছিল, সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে, সেই সমাজ, সেই মানুষ কোথায় যেন হারিয়ে গেছে, কেন কী জন্য হারিয়ে গেল তার তো একটা ব্যাখ্যা প্রয়োজন। বিকৃত পুঁজিবাদের বিকাশে ক্ষয়ে যাচ্ছে সামাজিক পুঁজি, আজ পশ্চিমে যখন সামাজিক পুঁজির প্রয়োজনীয়তা গভীরভাবে অনুভূত হচ্ছে, তখন আমরা আমাদের মহামূল্যবান সামাজিক পুঁজি হারিয়ে ফেলছি। সাময়িকভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেলে সবকিছু অর্জন হয়ে যায় না, যে অর্জন হয়েছে নিষ্ঠুরতা চর্চায়, তাকে রক্ষা করতে চাইলে প্রয়োজন সৌভ্রাতৃত্ব এবং একে অপরের জন্য ভালোবাসা। মার্কেটগুলোয় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ঘটেই চলেছে। ফায়ার সার্ভিসসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সেগুলোর কর্মীরা প্রাণপণ চেষ্টা করেও মার্কেটগুলো রক্ষা করতে পারছে না। বাংলাদেশে জমির দাম বলা চলে মূল্যবান ধাতুর মতো, এ অবস্থার জন্য দায়ী সীমিত জমির ওপর বিশাল জনসংখ্যার চাপ। সেজন্যই যেখানে বড় ধরনের মার্কেট গড়ে ওঠে, সেখানে দেখা যায় দোকানগুলো একটি অন্যটির সঙ্গে লাগোয়া। মার্কেটের ভেতর মানুষজনের চলাফেরার রাস্তাও খুবই সংকীর্ণ। এ ধরনের মার্কেট অগ্নিকান্ডের মতো দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে খুবই সহজেই। মার্কেটে যাদের দোকান আছে, তাদের সভা-সমিতিও আছে। এসব সমিতির ভূমিকা সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে হবে। এ ধরনের প্রতিটি মার্কেটে বিজ্ঞানসম্মত ও কার্যকর অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা অবশ্যই থাকতে হবে। অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা কীভাবে যথোপযুক্তভাবে গড়ে তোলা যায়, এর একটি বাধ্যতামূলক নীতিমালা থাকতে হবে।
লেখক: গবেষক ও ডিন, সিটি ইউনিভার্সিটি, ঢাকা।
বিনিয়োগবার্তা/ডিএফই/এসএএম//



